যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার সকাল (৯ মে) ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম শেষে দুপুরের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে বিকেল ৩টার মধ্যে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুরে খোঁড়া হচ্ছে কবর। বৃষ্টির জানাজা আজ শনিবার (৯ মে) আসরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
নিহতের নানা আব্দুল আলী জানান, বিমানবন্দরে বৃষ্টির মরদেহ গ্রহণ করতে তার বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত আছেন। সেখান থেকে মরদেহ সরাসরি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। পরে আসরের নামাজের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশেই দাফন সম্পন্ন করা হবে।
এর আগে সকালে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে এমিরেটসের ইকে–০২২০ ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। বিমানে তোলার সময় মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে আনা হয়।
এদিকে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ হত্যার শিকার দুই বাংলাদেশী শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে তাদের এ সম্মাননা দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ৫ মে মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে পাঠানো এক চিঠিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।












